Check PAGE RANK of Website pages Instantly

Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

Thursday, October 12, 2017

লামায় শিশুদের মৌসুমী প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

বিশেষ কৃতজ্ঞতা: তথ্য ও ছবি: উথোয়াই মার্মা জয়, উদীয়মান ব্লগার, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
*************************************
লামায় উপজেলা শিশুদের মৌসুমি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উদ্যোগে প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে জ্ঞান জিজ্ঞাসা, উপস্থিত বির্তক, দেশাত্মবোধক জারিগান ও নৃত্য প্রতিযোগিতা মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

বিকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদ ইকবাল সভাপতিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান(মহিলা) শারাবান তহুরা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যতিন্দ্র মোহন মন্ডল, জনাব মোঃ মোহায়মেনু, সহকারী প্রোগ্রামার(আইসিটি), একাডেমিক সুপারভাইজার রাশেদুল ইসলাম, রোরাল ডেভেলপম্যান্ট বোর্ডে সমন্বয়ক গোপাল চক্রবর্তী, লামামুখ উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবদুর শুক্কুর। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার মহাজন।

অনুষ্ঠানের বিজয়ীদেরকে আগামী ১৬ অক্টোবরে জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করানো হবে।

Saturday, October 7, 2017

লামায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অর্জুন চন্দ্র শীলের মহা প্রয়াণ!!!

কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান,সাংবাদিকলামাবান্দরবান পার্বত্য জেলা।
************************************
************************************
লামা উপজেলার বীরমুক্তিযোদ্ধা অর্জুন চন্দ্র শীল  আর নেই। শনিবার বিকাল ৪:২০মিনেটে হ্নদযন্ত্র বন্ধ হয়ে লামা স্বাস্থ্য কন্দ্রের জরুরী বিভাগে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
**
১৯৭১ সালের রণাঙ্গণের এই বীর সেনানি লামা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা। মৃত্যকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। পারবিারিক সূত্রে জানাগেছে, তিনি বেশ কয়েক মাস ধরে শারিরীকভাবে অসুস্থ্য ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় উন্নত চিকিৎসাও নেন তিনি। শনিবার বিকালে বুকের ব্যাথা অনুবব করে নিজেই হেটে লামা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যান। সেখানে জরুরী বিভাগে ডাক্তার তার প্রেসার পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতেই কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি ধরার মায়া ত্যাগ করেন।
**
দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে লড়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অর্জন চন্দ্র শীল। জীবনের প্রায় সময়টুকু সমাজ সংসারে বিলিয়ে দিয়েছেন তিনি। পরিবার-পারিপাশ্বিক নিষ্ঠুর বাস্তবতায় জীবন সায়হ্নে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার বুকে এসে ভর করে এক যন্ত্রণার পাথর খন্ড। অবশেষে অব্যাক্ত কষ্টের গল্প বুকে চেপে নিরবে অভিমানে চলে গেলেন সমাজ-সংসার ছেড়ে না ফেরার দেশে।
**
শনিবার মৃত্যুজনিত কারণে শাস্ত্রগতভাবে আজ রাতে তাঁর সৎকার সম্পন্ন করা হবে বলে জানাগেছে। শোকাহত পরিবারের কারো নিকট সৎকার সংক্রান্ত কোন সঠিক সময় ও তথ্য পাওয়া যায়নি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্যানুষ্ঠান হবে বলে প্রশান সূত্রে জানাগেছে।
**
লামা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সকল সদস্য মুক্তিযোদ্ধা অর্জুন চন্দ্র শীলের মহা প্রয়ানে শোক প্রকাশ করেছে

Thursday, October 5, 2017

লামায় প্রাচীন জনবসতিসমূহ মাতামুহুরী নদী ও লামা খালের ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার আশংকা!!!



কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান,সাংবাদিক, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
***************************************************************
লামা উপজেলায় মাতামুহুরী নদী ও শাখা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, জনবসতি। ৩০ বছরে লামা খালের তীব্র স্রোতে তলিয়ে গেছে একটি প্রাচীন জনপদ, ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে একটি গার্ডার ব্রিজসহ বহু বসতি ও দোকান পাট।
লামা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নদীর ভাঙ্গনে বসত ঘর, দোকান পাট, ফসলি জমি বিলিন হয়ে গেছে। গত ৩৫ বছরে দরদরী মৌজায় লামা খালের উত্তর তীরে গড়ে উঠা একটি বাঙ্গালী পাড়ার ৯০% তলিয়ে গেছে খালের গর্ভে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ফলে ৬০’র দশকে তৎকালীন সরকারের পূনর্বাসন-এর আওতায় গড়ে উঠেছিল এই পাড়াটি। পাড়ার একাংশের নাম ইব্রাহীম লিডারপাড়া, অপর অংশ হৃদয় মাষ্টার পাড়া। স্থানীয় বান্দিারা জানায়, বিগত ৩০/৩৫ বছরে লামা খালের তীব্র স্রোতে উত্তর তীরের কয়েকশো ফুট জনবসতি ও বানিজ্যিক এলাকা খালে তলিয়ে যায়।

লামায় ঘরে ঘরে ‘ওয়াগ্যোয়েই পোয়ে’ উৎসবের আনন্দ...



কার্টেসিঃ মো. নুরুল করিম আরমান, সাংবাদিক, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
............................................................................................ 
শুরু হয়েছে পাহাড়ে বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ওয়াগ্যোয়েই পোয়ে বা প্রবারণা পুর্নিমা। তিন দিনব্যাপী এ উৎসব ঘিরে বান্দরবানের লামা উপজেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি পল্লীগুলোতে বুধবার সকাল থেকেই চলছে আনন্দের বন্যা।
জানা গেছে, বুধবার সকালে বৌদ্ধ বিহারে উপাসক-উপাসিকাগণের অষ্টমশীল ও বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসবের প্রথম দিন। পরে হয়েছে ছোয়াইং দান। সন্ধ্যায় শুরু হবে ফানুস উড়ানো। এ সময় যুবকেরা নৃত্য-গীতে মেতে ওঠে।

Tuesday, October 3, 2017

লামার প্রধান সড়কসহ অভ্যন্তরীণ রাস্তা-ঘাটের বেহাল অবস্থা!!!

কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান,সাংবাদিকলামাবান্দরবান পার্বত্য জেলা।
************************************
লামা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও রুপসিপাড়া সড়কের বেহাল অবস্থা। ছোট ছোট কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পথ চলছে স্থানীয়রা। নিম্মমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ধারণ ক্ষমতারিক্ত যানবাহন চলাচলের ফলে লামা সদর, রুপসিপাড়াসহ উপজেলার ৭ ইউনিয়নের অভ্যান্তরীন সড়কের বিভিন্ন অংশ ও কালভার্টগুলো ভেঙ্গে গিয়ে মরণ ফাঁদে রুপ নিয়েছে। রাস্তায় যান চলাচলে কোন নিয়ম-নীতি ও সংস্কারের উদ্যাগ নেই কর্তৃপক্ষের। টি,আর কাবিখা-কাবিটার অর্ধেক অর্থ সোলার প্যানেলে ব্যায় হওয়ায় গ্রামীণ রাস্তা ঘাট সংস্কার কাজ কমেছে আগের তুলনায়।
লামা-আলীকদম-ফাঁসিয়াখালী প্রধান সড়কসহ উপজেলার ৭ ইউনিয়নের অভ্যান্তরীন সড়ক ও কালভার্টগুলো ভেঙ্গে গেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনে যাতায়ত করছে। রোড্স এন্ড হাইয়ে ও এলজিইডি কর্তৃক নির্মিত বেশিরভাগ সড়কের বেহাল অবস্থা। উপজেলার সাথে জেলা শহরের একমাত্র অভ্যান্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যম লামা-সুয়ালক সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গন-গর্তের সৃষ্টি হয়ে বেশ কিছু ব্রিজ কালভার্ট ভেঙ্গে ঝুঁকি বিরাজ করছে।
লামা-রুপসিপাড়া সড়কের অংহ্লাপাড়া ব্রিজের দু’শ্ ফুটের মধ্যে ২ বছর আগে করা একটি কালভার্ট ভেঙ্গে মৃত্যুকুপে পরিনত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্নাবস্থায় এ সড়কে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মটর বাইক, সিএনজি, জীফ, ট্রাক- পিকআপ যাত্রী ও উৎপাদিত কৃষিপণ্য, বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে চলাচল করে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে পাহাড়ের মাটি ধসে ও ভাঙ্গনের ফলে চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি নিতে হচ্ছে স্থানীয়দেরকে।
লামা সদর ইউনিয়ের ১ নং ওয়ার্ড লাইনঝিরি গ্রামের বিভিন্ন ছড়া-নালার উপর নির্মিত কালভার্টগুলো ভেঙ্গে গেছে। এর ফলে বিদ্যালয়গামি ছাত্র ও সাধারন পথচারিদের ভোগান্তি হচ্ছে। ইউনিয়নের অন্যান্য ওয়ার্ডেও একই চিত্র বিদ্যমান বলে স্থানীয়রা জানান।
ফাইতং ইউনিয়নের মূল সড়কসহ টি.আর.খাবিখা দ্বারা করা পাড়া কেন্দ্রিক রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে গেছে। ওই ইউনিয়নে প্রায় ২৩টি ব্রিকফিল্ড-এ তৈরি ইট ও মালামাল পরিবহনের ফলে কার্পেটিং সড়কে খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত মাল বোঝায় ভারী যানবাহন চলার ফলে বর্ষায় কাদাপানিতে একাকার আর শীতে ধুলায় অন্ধকার থাকে এলাকাটি। স্থানীয়রা জানান, তারা চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। ধুলাবালি ও ব্রিক ফিল্ডের ধূয়া নারী-শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট প্রতিনিয়ত লেগেই থাকে।
ফাঁসিয়াখালী, আজিজ নগর ইউনিয়নের সড়কগুলো ১২ মাসই বালি ও পাথর আহরণকারীদের দখলে থাকে। ফলে রাস্তাঘাট-ব্রিজ কালভাট ভেঙ্গে জন দুর্ভোগ চরমাকার ধারণ করেছে। সরই ইউনয়নে কাঠভর্তি ভারী যানবাহন ও বালুর গাড়ির দখলে যায় রাস্তা ঘাট। বিগত বর্ষায় গজালিয়া ইউনিয়নের সড়ক সমুহ ভেঙ্গে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সেখানকার বাসিন্দাদের।
জানাগেছে, এসব সড়ক সমুহে যানবাহন চলাচলে লোডিং আইন মানা হচ্ছেনা। অতিরিক্ত মালবোঝায় ট্রাক চলাচল ও বিগত ২০১৫ সালের প্রবল বর্ষন ২০১৭ সালের বর্ষন জনিত পরপর কয়েকদফা বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন  রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যায়।
জনপ্রতিনধিরা জানান, ঘরে ঘরে সোলার প্যানেল স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার টি,আর কাবিটা-কাবিখার ৫০% অর্থ ব্যায় করছে। এর ফলে ইউনিয়ন পরিষদগুলো চাহিদা অনুযায়ী আগেরমতো পর্যাপ্তভাবে রাস্তাঘাট সংস্কার করতে পারছেন না। এর ফলে বিগত বন্যায় ক্ষতি হওয়া গ্রামীণ রাস্তাঘাট সংস্কার বিহীন থেকে গেছে।
লামা উপজেলার রাস্তাঘাট সংস্কার, ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মনযোগ আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা।

Monday, October 2, 2017

লামায় অবৈধ মাদকদ্রব্যসহ ধৃত তিনজনের কারাদন্ড!!!



আজ লামা উপজেলাস্থ ইয়াংছা আর্মি চেক পোস্ট এ বাংলাদেশ পুলিশ লামা থানা কর্তৃক অবৈধ মাদকদ্রব্যসহ ধৃত তিনজন আলীকদম উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানবাজার এলাকার সিলেটি পাড়ার বাসিন্দা আবদুল বারেক (৪৫) পিতা-মৃত ইউনুছ মিয়া ও উত্তর পালং পাড়ার বাসিন্দা মো. নবী (৩০) পিতা-কবির আহমদ এবং কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার কুলারপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ নুর (২৩) পিতা-মো. কাশেম।

লামায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত



কার্টেসিঃ মো. নুরুল করিম আরমান, সাংবাদিক, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।


********************************************************

জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সারা দেশের ন্যায় বান্দরবানের লামা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগেও যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সোমবার সকালে ‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য উৎপাদনশীলতা’ এ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে এক শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারাবান তহুরা, কৃষি কর্মকর্তা মো. নূরে আলম, মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদ পারভেজ।  

Sunday, October 1, 2017

লামায় বঙ্গবন্ধু প্রেমি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু খাঁ’র পরিবারের খবর কেউ রাখেনা!...



কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, সাংবাদিক, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
********************************************************
লামায় অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত এক মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের বাঁচার আকুতি। মোখলেছ খাঁ (৫২)মুক্তিযোদ্ধা বাবু খাঁর ২য় সন্তান। সে দীর্ঘদিন ধরে জন্ডিস ও লিভার সংক্রান্ত ব্যাধিতে আক্রান্ত। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেননা এই মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের। সন্তানের চিকিৎসার জন্য হণ্য হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা পত্নি আমেনা বেগম।
 
অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুখাঁ’র পরিবার। ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় ৬নং হামিরদী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মাবধপুর গ্রামের বাসিন্দা দরিদ্র কৃষক, পিতা করিম খাঁ ও মাতা ছুটু খাতুন-এর সন্তান বাবু খাঁ। মুক্তি বাহিনীতে যোগ দিয়ে ভারতে গিয়ে রণ প্রশিক্ষণ নিয়ে ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালে এই বীর যোদ্ধা নিজ জম্মস্থান ফরিদপুরের রণাঙ্গনে যুদ্ধরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ১৬ ইসিবিতে চাকুরী হয় এই বীর যোদ্ধার।
স্বাধীনের কয়েক বছর পর, ১৯৭৮ সালে সেনা সদস্য হিসেবে বান্দরবান জেলাধীন আলীকদম জোনে বদলী হয়ে আসে। নিজ জেলায় ফরিদপুরে জায়গা জমি না থাকায় ৭০ দশকের শেষদিকে লামা উপজেলা ইয়াংছা গ্রামে ছোট্ট এক টুকরো পাহাড় কিনে বসতি শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে মার্চ মাসের ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতা স্বপক্ষের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করবেন, ১৩ তারিখে টেলিভিশনের পর্দায় এমন সংবাদ শুনে খুশীতে আত্মহারা হয়ে নিজ বাসায় হ্নদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মারা যায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু খাঁ।