Check PAGE RANK of Website pages Instantly

Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

Tuesday, October 17, 2017

লামায় ৫০ হাজার লিটার মদ জব্দ!!!

কার্টেসিঃ মোঃ নুরুল করিম আরমান, সাংবাদিকলামাবান্দরবান পার্বত্য জেলা।
************************************
বান্দরবানের লামা উপজেলার একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি পাড়ায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপকরণ জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। 
মঙ্গলবার উপজেলার আজিজনগর বাজার সংলগ্ন মারমা পাড়া থেকে এসব জব্দ করা হয়। এ সময় মিশু মারমা (৩৫) নামের এক নারীকে আটকের পর জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। 
সূত্র জানায়, আজিজনগর বাজার সংলগ্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি মার্মা পাড়ায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ দেশীয় চোলাই মদ তৈরি ও পাচারের জন্য মজুত করা হয়েছে’ এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযান চালান। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সায়েদ ইকবাল। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা অভিযান চালায় দলটি। 
সূত্রটি আরো জানায়, এ সময় পাড়ার বিভিন্ন ঘর থেকে বাণিজ্যিকভাবে তৈরিকৃত ৫০ হাজার লিটার মদ, উপকরণ জব্দ করেন। পাশাপাশি মদ তৈরি ও পাচারের সাথে জড়িত পাড়ার বাসিন্দা ইয়াতে মারমার স্ত্রী শিশু মারমাকে আটক করে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে উদ্ধারকৃত চোলাই মদ ও মদ তৈরির উপকরণ সমূহ প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়। চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমান, উপ-পরিচালক একেএম শওকত ইসলাম, শামীম আহমেদ, সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে অংশ নেয়। 
লামা উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সায়েদ ইকবাল ৫০ হাজার লিটার চোলাই মদসহ উপকরণ জব্দ ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

লামায় জাতীয় কণ্যাশিশু দিবস পালিত...



কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান,সাংবাদিকলামাবান্দরবান পার্বত্য জেলা।
 *****************************************************
লামা জাতীয় কণ্যা শিশু দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায়কণ্যাশিশুর জাগরণ আনবে দেশে উন্নয়নএই স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
লামা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত দিবসের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে র‌্যালিতে নেতৃত্বদেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ানু। 
এতে উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুস্মিতা খিসা, নারী ফোরামে নেত্রী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শরাবান তহুরাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
র‌্যালি শেষে এক আলোচনা সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, পুরুষ শাষিত সমাজ ব্যবস্থায় কণ্যাশিশুরা নারীর ন্যায় নানাভাবে শোষনের শিকার। সরকার এই বাস্তব নির্মমতা থেকে বেরকরে আনতে, কণ্যা শিশুদের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু বলেন, সরকার নারী বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে কণ্যা শিশুদের সাভাবিক বিকাশে কাজ করছেন।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুস্মিতা খিসা বলেন, নারী ক্ষতায়নের প্রথম দাফ কণ্যাশিশুদের মানসিক বিকাশে সমোচিত প্রয়াস নিয়েছেন সরকার। 
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের নারী সমাজকে উন্নয়নের কাতারে যুক্ত করতে নারী বান্ধব পরিবেশ তৈরি করেছেন। বাল্য বিবাহ রোধে কাজ করে কণ্যা শিশুদের সাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অনুকুল অবয়ব গড়ে তুলতে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ব্যাপক প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে বর্তমান সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

Friday, October 13, 2017

লামায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ, বর কনে পরিবারকে জরিমানা

কার্টেসিঃ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিকলামাবান্দরবান পার্বত্য জেলা।
************************************
কনের বয়স ১২। বাড়ি লামা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বৈল্ল্যারচর এলাকায়। কনে লামার পার্শ্ববর্তী উপজেলা লোহাগাড়ার পুটিবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী। অপরদিকে বর আব্বাস মিয়া (১৬) একই ইউনিয়নের চিউনি পাড়া এলাকার আব্দুল মজিদ ও হামিদা বেগমের ছেলে। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিবাহ ঠিক হয়। শুক্রবার দুপুরে মেয়ের বাড়িতে সামাজিক ভাবে অনুষ্ঠান করে কনে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। 
উক্ত বাল্য বিবাহ সম্পাদনের বিষয়টি জানতে পেরে লামা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদ ইকবাল লামা থানা পুলিশ নিয়ে শুক্রবার বেলা ১১টায় মেয়ের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়। বিবাহের সকল প্রস্তুতি দেখে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের ডেকে বিবাহ বন্ধ করেন।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবুল কাসেম বলেন, আমরা উভয় পরিবারকে নিষেধ করেছিলাম। তারা কারো কথা না শুনে বাল্য বিবাহ দিতে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ায় একটি মেয়ে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেল। লামা উপজেলা প্রশাসন ও লামা থানাকে ধন্যবাদ জানাই। 
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদ ইকবাল সাংবাদিককে বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতিক্রমে আমরা যাই। বাল্য বিবাহটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বন্ধ করা হয়। বর কনে পরিবারের অভিভাবকের কাছ থেকে আর বাল্য বিবাহ দেবেনা এমন অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করি। বাল্য বিবাহ সম্পাদনের মত অন্যায় করায় উভয় পরিবারকে মোবাইল কোট আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

লামায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা: তথ্য ও ছবি: উথোয়াইমার্মা জয়, উদীয়মান ব্লগার, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
***********************************
বান্দরবান লামায় নানা কর্মসূচি মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। “দুর্যোগ সহনীয় আবাস গড়ি, নিরাপদে বাস করি” এবারের প্রতিপাদ্যের তাৎপর্য অনুধাবন করে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদ ইকবাল নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি বাজারে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

এরপর লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলনায়তন হলরুমে প্রধান শিক্ষক বিথী তঞ্চঙ্গ্যা সভাপতিত্বে দিবসটির উপর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদ ইকবাল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, লামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা শফিউল আলম, লামা থানা ইনচার্জ প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন।

এ সময় প্রধান অতিথি বলেন, পাহাড়ে গাছ না কেঁটে সমতল জায়গা বা অন্যত্র স্থানে আমাদের সকলের আবাস গড়ে তুলতে হবে। প্রাক দুর্যোগ, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমাদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বিভিন্ন দুর্যোগের বৈশিষ্ট্য, ক্ষয়ক্ষতি ও এর প্রভাব সম্পর্কে আমাদের সম্যক জ্ঞান রাখতে হবে এবং সে মোতাবেক জীবনযাত্রায় পরিবর্তন ও প্রতিফলন ঘটাতে হবে। 

আলোচনা সভা শেষে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সবশেষে লামায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা অগ্নিনির্বাপণসহ দুর্যোগ প্রতিরোধে মহড়া প্রদর্শনী করে দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে। সার্বিক সহযোগিতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও সেপলিং প্রকল্প।

Thursday, October 12, 2017

লামায় শিশুদের মৌসুমী প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

বিশেষ কৃতজ্ঞতা: তথ্য ও ছবি: উথোয়াই মার্মা জয়, উদীয়মান ব্লগার, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
*************************************
লামায় উপজেলা শিশুদের মৌসুমি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উদ্যোগে প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে জ্ঞান জিজ্ঞাসা, উপস্থিত বির্তক, দেশাত্মবোধক জারিগান ও নৃত্য প্রতিযোগিতা মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

বিকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদ ইকবাল সভাপতিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান(মহিলা) শারাবান তহুরা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যতিন্দ্র মোহন মন্ডল, জনাব মোঃ মোহায়মেনু, সহকারী প্রোগ্রামার(আইসিটি), একাডেমিক সুপারভাইজার রাশেদুল ইসলাম, রোরাল ডেভেলপম্যান্ট বোর্ডে সমন্বয়ক গোপাল চক্রবর্তী, লামামুখ উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবদুর শুক্কুর। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার মহাজন।

অনুষ্ঠানের বিজয়ীদেরকে আগামী ১৬ অক্টোবরে জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করানো হবে।

Saturday, October 7, 2017

লামায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অর্জুন চন্দ্র শীলের মহা প্রয়াণ!!!

কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান,সাংবাদিকলামাবান্দরবান পার্বত্য জেলা।
************************************
************************************
লামা উপজেলার বীরমুক্তিযোদ্ধা অর্জুন চন্দ্র শীল  আর নেই। শনিবার বিকাল ৪:২০মিনেটে হ্নদযন্ত্র বন্ধ হয়ে লামা স্বাস্থ্য কন্দ্রের জরুরী বিভাগে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
**
১৯৭১ সালের রণাঙ্গণের এই বীর সেনানি লামা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা। মৃত্যকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। পারবিারিক সূত্রে জানাগেছে, তিনি বেশ কয়েক মাস ধরে শারিরীকভাবে অসুস্থ্য ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় উন্নত চিকিৎসাও নেন তিনি। শনিবার বিকালে বুকের ব্যাথা অনুবব করে নিজেই হেটে লামা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যান। সেখানে জরুরী বিভাগে ডাক্তার তার প্রেসার পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতেই কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি ধরার মায়া ত্যাগ করেন।
**
দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে লড়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অর্জন চন্দ্র শীল। জীবনের প্রায় সময়টুকু সমাজ সংসারে বিলিয়ে দিয়েছেন তিনি। পরিবার-পারিপাশ্বিক নিষ্ঠুর বাস্তবতায় জীবন সায়হ্নে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার বুকে এসে ভর করে এক যন্ত্রণার পাথর খন্ড। অবশেষে অব্যাক্ত কষ্টের গল্প বুকে চেপে নিরবে অভিমানে চলে গেলেন সমাজ-সংসার ছেড়ে না ফেরার দেশে।
**
শনিবার মৃত্যুজনিত কারণে শাস্ত্রগতভাবে আজ রাতে তাঁর সৎকার সম্পন্ন করা হবে বলে জানাগেছে। শোকাহত পরিবারের কারো নিকট সৎকার সংক্রান্ত কোন সঠিক সময় ও তথ্য পাওয়া যায়নি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্যানুষ্ঠান হবে বলে প্রশান সূত্রে জানাগেছে।
**
লামা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সকল সদস্য মুক্তিযোদ্ধা অর্জুন চন্দ্র শীলের মহা প্রয়ানে শোক প্রকাশ করেছে

Thursday, October 5, 2017

লামায় প্রাচীন জনবসতিসমূহ মাতামুহুরী নদী ও লামা খালের ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার আশংকা!!!



কার্টেসিঃ মোহাম্মদ কামারুজ্জামান,সাংবাদিক, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
***************************************************************
লামা উপজেলায় মাতামুহুরী নদী ও শাখা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, জনবসতি। ৩০ বছরে লামা খালের তীব্র স্রোতে তলিয়ে গেছে একটি প্রাচীন জনপদ, ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে একটি গার্ডার ব্রিজসহ বহু বসতি ও দোকান পাট।
লামা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নদীর ভাঙ্গনে বসত ঘর, দোকান পাট, ফসলি জমি বিলিন হয়ে গেছে। গত ৩৫ বছরে দরদরী মৌজায় লামা খালের উত্তর তীরে গড়ে উঠা একটি বাঙ্গালী পাড়ার ৯০% তলিয়ে গেছে খালের গর্ভে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের ফলে ৬০’র দশকে তৎকালীন সরকারের পূনর্বাসন-এর আওতায় গড়ে উঠেছিল এই পাড়াটি। পাড়ার একাংশের নাম ইব্রাহীম লিডারপাড়া, অপর অংশ হৃদয় মাষ্টার পাড়া। স্থানীয় বান্দিারা জানায়, বিগত ৩০/৩৫ বছরে লামা খালের তীব্র স্রোতে উত্তর তীরের কয়েকশো ফুট জনবসতি ও বানিজ্যিক এলাকা খালে তলিয়ে যায়।

লামায় ঘরে ঘরে ‘ওয়াগ্যোয়েই পোয়ে’ উৎসবের আনন্দ...



কার্টেসিঃ মো. নুরুল করিম আরমান, সাংবাদিক, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
............................................................................................ 
শুরু হয়েছে পাহাড়ে বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ওয়াগ্যোয়েই পোয়ে বা প্রবারণা পুর্নিমা। তিন দিনব্যাপী এ উৎসব ঘিরে বান্দরবানের লামা উপজেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি পল্লীগুলোতে বুধবার সকাল থেকেই চলছে আনন্দের বন্যা।
জানা গেছে, বুধবার সকালে বৌদ্ধ বিহারে উপাসক-উপাসিকাগণের অষ্টমশীল ও বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসবের প্রথম দিন। পরে হয়েছে ছোয়াইং দান। সন্ধ্যায় শুরু হবে ফানুস উড়ানো। এ সময় যুবকেরা নৃত্য-গীতে মেতে ওঠে।