Check PAGE RANK of Website pages Instantly

Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

Saturday, February 11, 2017

লামায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস: বণ্যপ্রাণী বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে…


লামায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস: বণ্য প্রাণী বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে… 

আজ শরিবার লামা বাজারের হরি মন্দির সামনে বন বিভাগ সদস্য আর আনসার বাহিনী যৌথ উদ্যোগে ১০টি বন মোরগ উদ্ধার করার ছবি।


প্রাকৃতি পরিবেশ ধ্বংস হলে বনের প্রাণী তো লোকালয়ে বা বাজারে আসবেই!
আজ সকাল সাড়ে ১১ টায় লামা হরি মন্দিরে সামনে থেকে বন বিভাগ আনসার বাহিনী ১০টি বন মোরগ উদ্ধার করে। মোরগ বিক্রেতা পালিয়ে যায় বলে জানা যায়। এমন দৃশ্য দেখে মুখে হাঁসি তা আর ধরে রাখতে পারলাম না। কিন্তু প্রসঙ্গে কিছু না লিখে চুপ করে থাকতে পারলাম না- বনে যেভাবে গাছের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে তা পাহাড়ে গেলে বুঝা যায়। বনে গাছ না থাকলে বন মোরগের আবাসস্থল আর খাদ্য তো পাচ্ছে না যার জন্য বন মোরগের দেখা মিলেছে বাজারে! বন বিভাগের সদস্য আর আনসার বাহিনী বাজারে বন মোরগ ধরার চেয়ে সেসব ব্যক্তিদের আইনে আওতায় আনা উচিত যারা আমাদের পরিবেশ ধ্বংস করছে।
সবুজ অরণ্য পাহাড় থেকে নির্বিচারে গাছ কেঁটে ট্রলি বা ট্রাকে নিয়ে এসে সরকারে নিষেধাজ্ঞা বিষ বৃক্ষ তামাক আর ব্রীক ফিল্ডে আগুন জ্বালানো জন্য লামা মাতামুহুরী নদীর চরে নিত্য দিনে লাকরি বাজার বসার মুর্হুতের ছবি।
অনেক সময় কিছু মুর্হুত দেখা মিলে। যেমন কোন গরীব বা অসহায় লোক যখন তাঁর পরিবারের জন্য অথবা মেয়ের বিয়ে দেওয়া জন্য কিছু টাকা জোগার করতে বা আসবাবপত্র তৈরি করতে নিজ সৃজনকৃত গাছ কেঁটে আনে তখন বন বিভাগের জিহ্বায় পানি চলে আসে। তখন তারা সে গাছ গুলো ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগে। কিন্তু বর্তমানে বন বিভাগের চোখের সামনে থেকে যখন বন থেকে হাজার হাজার গাছ কেঁটে ট্রলি যোগে বাজারে মধ্য দিয়ে মাতামুহুরী নদীতে প্রকাশ্যে লাকরি বলে বিক্রয় করা হচ্ছে তখন মনে হয় বন বিভাগের চোখ চশমা দেওয়া থাকেই। যার জন্য সেসব গাছের গাড়ি তাদের চোখে পড়েনা!

লামার হাজার হাজার কাঠ বন বিভাগ কে মেনেজ করে চট্রগ্রাম সহ বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে। মুস্তিমিয় কয়েকজন ব্যবসায়ী পকেট লাল হচ্ছে কিন্তু পরিবেশ কয় যাচ্ছে তা কে বা খোঁজ খবর রাখে!

হাইরে বন বিভাগ তোদের চোখের চশমা তা যে কবে খোলবে? বনে যখন গাছ শেষ হয়ে যাবে তখন খুলিও! বনে গাছ তো বনে আছেই.....কে বলেছে গাছ কেঁটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমন কথা বলবেন কারণ আপনা গো পকেট যে গাছ ব্যবসায়ীরা ভারী করে দিয়ে গেছে


বিশেষ কৃতজ্ঞতা: তথ্য ও ছবি: উথোয়াই মার্মা জয়, এস.কে খগেশপ্রতি চন্দ্র খোকন, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

 

Wednesday, February 8, 2017

লামায় ৩ লাখ ঘনফুট পাথর উত্থোলনের আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায়



আবারো পাহাড় ধ্বংসের মহাপরিকল্পনা: লামায় লাখ ঘনফুট পাথরের আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায়

লামা উপজেলার বিভিন্ন ঝিরি থেকে লাখ ঘনফুট পাথর উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের বরাবরে করা ৯টি আবেদন তদন্তনাধীন অবস্থায় রয়েছে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে। ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কানুনগোদের দেয়া তদন্ত রিপোর্টের অনুমোদন দিতে উপজেলা পরিষদ হলরুমে লামা উপজেলা পরিবেশ বন উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কমিটির সকল সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যানগণ, সাংবাদিক, বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা নতুন পাথরের কোয়ারি অনুমোদনের বিরোধীতা করেন এবং এই পাথর কোয়ারির অনুমোদন দিলে পরিবেশ, জীববৈচিত্রের পাহাড়ের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হবে বলে মত প্রকাশ করেন।

সভায় লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, লামা উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াই নু অং চৌধুরী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারাবান তহুরা, লামা থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মোবারক হোসেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কাজী শফিকুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা, জাকের হোসেন মজুমদার, জালাল আহমদ, লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ হারুন, সাংবাদিক প্রিয়দর্শি বড়য়া, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নুরুল করিম আরমান সহ প্রমূখ।
গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা বলেন, লামা উপজেলার কোন ঝিরিতে ভাসমান পাথর নেই। এই লাখ ঘনফুট পাথরের অনুমোদন দেয়া মানে নতুন করে শত শত পাহাড় কাটার অনুমতি দেয়ার সামিল। পাহাড়ের সব কয়টি ঝিরিতে পানি প্রবাহ কমে গেছে। সামনে শুষ্ক মৌসুম। দূর্গম পাহাড়ের মানুষ পানির অভাবে মারা যাবে। তাছাড়া গজালিয়া, ফাঁসিয়াখালী, সরই, রুপসীপাড়া ফাইতং ইউনিয়নের ইতিমধ্যে অনুমোদন না পেতেই লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর মজুদ রয়েছে পাচারের অপেক্ষায়। এই ৯টি পাথরের কোয়ারির আবেদন অনুমোদন করলে পরিবেশ, জীববৈচিত্রের পাহাড়ের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হবে। শুধু মাত্র রাজস্ব আয়ের কথা চিন্তা করে এই পাথরের অনুমোদন দিলে তার চেয়ে শত গুণ বেশী সরকারের অবকাঠামো পরিবেশের ক্ষতি হবে। তাছাড়া যারা আবেদন করেছে তারা অধিকাংশ অন্য জেলার লোক। তাদের ব্যবসায়ীক মানসিকতার কাছে লামা উপজেলা মানুষের ভাগ্য বিক্রি করা সঠিক হবেনা। তার এই বক্তব্যের সাথে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান, অন্যান্য ইউপি চেয়ারম্যানগণ, সাংবাদিক, বন বিভাগের প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা সহমত প্রকাশ করেন।

সভার সভাপতি লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু বলেন, সকলের মতামত এবং পরামর্শ রেজুলেশন আকারে বান্দরবান জেলা প্রশাসক এর বরাবরে প্রেরণ করা হবে
বিশেষ কৃতজ্ঞতা: তথ্য ছবি: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা